Friday, April 3, 2026
Homeথ্রিলার গল্পভৌতিক গল্পটান - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

টান – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

টান – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

গল্প নয়, সত্য ঘটনা।

যাঁর মুখে আমার এ-গল্প শোনা, তাঁদের পরিবারবর্গ কর্ম উপলক্ষ্যে পূর্ব-আফ্রিকার নাইরোবি শহরে অনেক দিন থেকে বাস করছিলেন। ও-দেশের নানাগল্প আমি বন্ধুটির মুখে সেদিন বসে বসে শুনছিলাম।

সকাল বেলা, পাহাড়ি পথে একা বেড়াতে বার হয়েছি, একখানা জিপ-গাড়ি দেখি স্টেশন থেকে বেরিয়ে আসছে, আমার বন্ধু প্রণববাবু গাড়িটি চালাচ্ছেন। অনেক দিন দেখিনি প্রণববাবুকে, তিনি কবে এখানে এসেছেন তাও জানি না।

আমাদের এদিকের বাজারে মালিয়া মোহান্তির বড়ো গোলদারি দোকান। তার কাছে জিগ্যেস করে জানলুম, প্রণববাবু আজ দু-মাস ধরে ‘হোমসডেল’ কুঠিতে বাস করছেন।

মিনিট পঁয়ত্রিশ পরে (কারণ আমাকে পায়ে হেঁটে এই পথটা যেতে হল তো) প্রণববাবু ও আমি দু-জনে বসে গল্প করছিলাম ও চা পান করছিলাম। অনেক দিন পরে আমাদের দেখাসাক্ষাৎ এবং দু-জনেই খুব খুশি হয়েছিলাম এইরকম হঠাৎ দেখা হওয়ায়।

প্রণববাবু বললেন— এখানে খেয়ে যাবেন।

—বাড়িতে বলে আসিনি, স্নান হয়নি—

—সব ব্যবস্থা হয়ে যাচ্ছে। তাহলে থাকবেন তো? একটা খুব ভালো গল্প বলব খেয়ে-দেয়ে ওই বুড়ো হরতুকিতলার ছায়ায় বসে, কেমন? ও লাখপতিয়া, এখানে এসো— এই বাবুর বাড়ি গিয়ে খবর দিয়ে আসতে হবে।

—এখানে কতদিন আর থাকবেন?

—বুধবারে চলে যাব। আজ দেখা হওয়াতে বড়ো ভালো হল। কতদিন দেখা হবে না আবার— কে জানে!

—অথচ আমরা কলকাতাতেই থাকি, ঠিকানা না জানাতেই—

—মাংস খান তো?

—খুব।

—নিষিদ্ধ পক্ষীর?

—খুব।

মধ্যাহ্নভোজন খুব ভালোই হল।

এরপর আমরা সেই হরতুকিতলায় গিয়ে বসি। সামনে পশ্চিম দিকে নদীর ওপারে শৈলশ্রেণি, ঝির-ঝির বাতাস বইছে নদীর দিক থেকে। একদল সাদা বক পাহাড়শ্রেণিকে পেছনে ফেলে মেঘের তলা দিয়ে উড়ে আসছে এদিকে।

প্রণববাবু বললেন— আপনি আমার জীবনের কথা কিছু কিছু সকাল বেলা শুনেছেন। আজ একটি অসাধারণ ঘটনার কথা বলব। এ আমার নিজের চোখে দেখা বলেই আপনার কাছে বলবার ইচ্ছেটা বড়ো প্রবল হয়েছে।

আপনি জানেন, আমার বাবা ও কাকা উগান্ডা রেলপথ তৈরির সময় থেকে ওদেশে ছিলেন। আমার এক কাকা বেলজিয়ান কঙ্গোতে কমলালেবুর আবাদ করেন। আমার বাবার অনেক আগে থেকে তিনি আছেন সে দেশে। তাঁর চার-পাঁচটি ছেলে বিগ গেম হান্টার। লোহার মতো শরীর, অনর্গল সোহালি ভাষা বলতে পারে সে দেশের নেটিভদের মতোই। এসব কথা গল্পের মতো শোনাচ্ছে না কি? কিন্তু ঘর-বলা লোকের কাছে হয়তো এ সব যতই গল্প বলে মনে হোক, আমরা জানি বাংলাদেশের লোক কত দূরে দূরে ছড়িয়ে আছে। পৈতৃক বাসভূমি বলাগড়ের কাছে সিমুলিয়া। দশ বছর বয়সে আমি প্রথম নাইরোবি যাই। ভিক্টোরিয়া নায়ানজা হ্রদের তীরবর্তী কামপালা নামক ছোটো শহরে সীতানাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বলে একজন ভদ্রলোক স্কুল-মাস্টারি করতেন সে সময়। আমাদের পরিবারের সঙ্গে তাঁর খুব ঘনিষ্ঠতা ছিল। সে সময়ে তিনি বিবাহ করেননি, ছুটি-ছাটাতে নাইরোবিতে আমাদের বাসায় এসে বসতেন। তিনি দিন কতক আমায় ইংরেজি পড়াবার ভারও নিয়েছিলেন।

সে-সময়ে ওদেশে জিনিসপত্র খুব সস্তা ছিল। মাংস, দুধ, মাখন, কপি যথেষ্ট পাওয়া যেত। সমগ্র নাইরোবিতে তিন-ঘর বাঙালি পরিবার ছিল। সকলেই উগান্ডা রেলপথের কর্মচারী। আর একজন ছিল খ্রিস্টান, ধর্মপ্রচার করবার কাজে কী এক মিশন কর্তৃক প্রেরিত, মাঝে মাঝে নাইরোবিতে থাকত, মাঝে মাঝে দূর পল্লি অঞ্চলে চলে যেত।

আমি পনেরো বৎসর একাদিক্রমে নাইরোবিতে ছিলাম বাবা-মার সঙ্গে। ওখানকার জীবন খুব ভালোই কেটেছিল। জীবনযাত্রা ছিল সম্পূর্ণ নিরুদবেগ। জিনিসপত্র ছিল সস্তা, কত নতুন স্বপ্ন তখন দেখেছি অল্পবয়সে। একবার আমার খুড়তুতো ভাই অতুল এসে বেলজিয়ান কঙ্গোর জীবনের এক অপূর্ব ছবি আমার চোখের সামনে ধরলে, সেই আমার তরুণ বয়সে। বাবাকে বললাম, কাকার কমলালেবুর আবাদে গিয়ে কাজ করব, হাতি-সিংহ শিকার করব, গল্পের বইয়ের নায়কের মতো দুর্দান্ত অ্যাডভেঞ্চারপূর্ণ মুক্ত জীবনানন্দ আস্বাদ করব।

আমি বললাম— তখন আপনার বয়স কত?

—সতেরো বছর।

—লেখাপড়া?

—কামপালার সেই মাস্টার সীতানাথ বাঁড়ুজ্যে ইংরেজি পড়াতেন আর স্টেশনমাস্টার ডসন সাহেবের মেমের কাছে অঙ্ক কষতাম। আমায় বড়ো ভালোবাসতেন ডসন সাহেবের স্ত্রী। তাঁর এক ছেলে ছিল প্রায় আমার বয়সি। একটা এয়ারগান নিয়ে তার সঙ্গে খেলা করতাম। শিকারের ঝোঁক ছিল আমাদের দু-জনেরই। নাইরোবির বাইরে তখন বিস্তীর্ণ প্রান্তরে কণ্টক ও সিমোসা গাছের বনে জেব্রা, সিংহ, জিরাফ, উটপাখির দল বিচরণ করত; এখনও করে। আমরা কতবার এইসব অঞ্চলে যেতাম বন্য জন্তু শিকারের জন্যে। একবার একদল সিংহের সামনে পড়েছিলাম, তারমধ্যে এক গর্ভবতী সিংহী ছিল। সে আমাদের প্রায় চোখের সামনে একটা ঝোপের আড়ালে তিন-চারটে শাবক প্রসব করেছিল। সুতরাং লেখাপড়া সেখানে তেমন হয়নি।

—আপনি ডাক্তার হয়েছিলেন কোথায় পড়াশুনো করে?

—সে অনেক পরে। কলকাতায় ডাক্তারি পড়ি।

—কত বছর বয়সে কলকাতায় আসেন?

—পঁচিশ বছর বয়সে।

—অত বছর বয়সে ডাক্তারি পড়লেন? পাশ করেছিলেন?

—হোমিয়োপ্যাথিক কলেজে পড়ি, মাত্র তিন বছরের কোর্স ছিল তখন। তাতেই যথেষ্ট রোজগার করেছি বা এখনও করছি।

—ভাগ্যটা ভালো আপনার।

—আমি প্রথম প্র্যাকটিস করি ডার এস সালামে, তারপর মোসাম্বায়। ওখান থেকে বম্বে। বম্বে থেকে কলকাতায় এলাম। পয়সা যা কিছু বেশি রোজগার করি, সবই ডার এস সালামে। ইচ্ছে ছিল আবার সেখানে যাই, কিন্তু সেখানে আর সুবিধে হবে না। ম্যালান গভর্নমেন্টের আওতায় ও উৎসাহে যে-অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে ভারতবাসীদের আর সেখানে হয়তো সুবিধে হবে না। ওরাই বেশি ডাকত।

—কারা?

—আফ্রিকানরা। ওদের মধ্যে অনেকে ভারতীয় মেয়ে বিয়ে করেছিল সে সময়। অনেক মেয়ে ভারতীয় স্বামী গ্রহণ করেছিল। আস্তে আস্তে উভয় সমাজে এ-প্রথাটা চালু হচ্ছিল।

—এইবার আসল গল্পটা বলুন।

—বেলা গিয়েছে। বাকিটুকু অতিঅল্প, কিন্তু ভারি অদ্ভুত। শুনলেই তো ফুরিয়ে যাবে। তার চেয়ে চলুন চা-খাওয়া সেরে নেওয়া যাক।

চা খাওয়া হল। ও-বেলাও যাতে আমি থাকি, সেজন্য প্রণববাবু ও তাঁর স্ত্রী পীড়াপীড়ি করতে লাগলেন। এবেলা নাকি ভালো করে খাওয়ানো হল না, আমার খাওয়ার নাকি খুবই কষ্ট হল।

সন্ধ্যার পর আধ-জ্যোৎস্না আধ-অন্ধকারের মধ্যে প্রণববাবু আবার গল্প শুরু করলেন সেই হরতুকিতলায় বসে।

—এইবার যে-কথাটা বলব, সেটা ভালো করে বুঝতে হলে আমার মামার বাড়ির ইতিহাস আপনার কিছু জানা দরকার। আমার দাদামশাই গোবিন্দ ঘোষাল সিপাই বিদ্রোহের সময় ফয়জাবাদ মিলিটারি অ্যাকাউন্টেন্টের কাজ করতেন। তাঁর দুই বিবাহ, আমার দিদিমাকে তিনি বিবাহ করেন যখন, তখন তাঁর বড়ো ছেলের বয়েস ত্রিশ বছর। আমার মা তাঁর শেষ বয়সের সন্তান; কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই যে, আমার সে দিদিমা সধবা অবস্থায় দেহত্যাগ করেন। আমার মাকে মানুষ করে বামা বলে এক পুরোনো ঝি, আমার মামার বাড়ির। আমার দাদামশাই তখন চাকরি থেকে অবসর নিয়ে হুগলি জেলায় নিজের গ্রামে এসে বসেছেন।

বামা মাকে ঠিক নিজের সন্তানের মতো মানুষ করেছিল। বাইরে কোথাও গেলে সন্ধ্যার পর পিছু পিছু যেত মার বড়ো বয়সেও।

বামা কোথাও যেত না। নিজের দেশ বর্ধমান জেলার যে ক্ষুদ্র গ্রামটিতে তাঁর পৈতৃক ভিটে, মার ভার নেওয়ার পর থেকে সে কখনো আর গ্রামে পদার্পণ করেনি।

আমার মা যখন বিয়ের কনে সেজে আমাদের বাড়ি এসেছিলেন, বামা তখন মার সঙ্গে এ-বাড়ি চলে আসে এবং মাঝে মাঝে দেশে চলে গেলেও প্রায়ই তার এই জামাই-বাড়ি এসেই থাকত।

মা বলতেন— এখানেই থাকো না কেন বামা?

সে বলত— না খেঁদি (ডাক নাম), জামাই-বাড়ি কি থাকতে আছে? লজ্জার কথা!

সে কিন্তু মাকে ছেড়ে বেশিদিন থাকতে পারত না; কিছুদিন পর পর প্রায়ই আসত। আসবার সময়, মা যা খেতে ভালোবাসতেন ছেলেবেলায়— নারকেল নাড়ু, চিঁড়ে, কলা এইসব জোগাড় করে নিয়ে আসত। শুধু হাতে কখনো আসেনি।

বামা কিন্তু মারা যায় আমার মামার বাড়িতেই, হঠাৎ কী একটা অসুখ হয়ে। মার সঙ্গে দেখা হয়নি। মার সেজন্য খুব দুঃখ হয়েছিল। আমাদের কাছে পর্যন্ত বামার নাম করতেন আর চোখের জল ফেলতেন।

আমি বললাম— আপনি বামাকে দেখেছিলেন?

—না, আমার দাদা দেখেছিলেন, তখন দাদার ছ-সাত বছর বয়েস।

—তারপর?

—তারপর কর্ম উপলক্ষ্যে বাবা-মা উগান্ডা চলে গেলেন এবং সে দেশেই বাস করতে লাগলেন। আমরাও গেলাম ক্রমে সে দেশে। বাবার চাকরির উন্নতি হল। আমার এক বোনের বিয়ে হল মোম্বাসায়, সেখানে হুগলি জেলার বন্দিপুরের রামতারণ চক্রবর্তী শিপিং কোম্পানির অফিসে চাকরি করতেন, তাঁর বড়ো ছেলে শিবনাথ আমার ভগ্নীপতি।

পরের বৎসর আমার মা মারা গেলেন।

আমার বোনের বিয়ের আগে থেকেই তিনি হৃদরোগে কষ্ট পাচ্ছিলেন, একদিন সন্ধ্যার পর আমাদের সঙ্গে গল্প করতে করতে বললেন শরীরটা কেমন করছে।

তারপর ঘরের মধ্যে গিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লেন, ডাক্তার আসবার আগেই মারা গেলেন।

এইবার আসল কথাটা এসে গিয়েছে।

মা তো মারা গেলেন সন্ধ্যার সময়। অনেক রাতে লোকজন জোগাড় হল। যে-কটি বাঙালি পরিবার নাইরোবিতে সে সময় থাকত, তাদের সকলের বাড়ি থেকেই মেয়েরা ও পুরুষেরা এলেন সে-রাত্রে আমাদের বাড়ি খবর পেয়ে। রাত এগারোটার পর আমরা শ্মশানে মৃতদেহ নিয়ে গেলাম।

নাইরোবির বাইরে শহর থেকে প্রায় এক ক্রোশ দূরে অপেক্ষাকৃত নীচু জায়গায় নদীর ধারে শ্মশান। স্থানটা বড়ো নির্জন ও ঘাসের জঙ্গলে ভরা। রাত্রে এ-সব স্থানে সিংহের ভয় ছিল খুব বেশি। সিংহের উপদ্রবে রাতে কেউ বড়ো একটা মড়া নিয়ে যেতে সাহস করত নাকো শ্মশানে। আমাদের সঙ্গে অনেক লোক ছিল। আলো জ্বেলে ও বন্দুক নিয়ে আমাদের দল মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে গেল।

মৃতদেহ চিতায় চড়ানো হয়েছে, দাদা মুখাগ্নি করলেন, আমরা সবাই অদূরে বসে আছি। এমন সময় আমার ছোটো ভাই দেবু আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বললে— ওই দেখ, ও কে দাদা?

আমি চেয়ে দেখলাম, শ্মশানের দক্ষিণ দিকে একটা গাছতলায় একজন ভারতীয়া বৃদ্ধা মহিলা চুপ করে বসে একদৃষ্টে চিতার দিকে চেয়ে আছে। পরনে তার আধময়লা থান-কাপড়।

বাবা সেদিকে চেয়ে বলে উঠলেন— সর্বনাশ! ও যে বামা ঝি!

দাদা বললেন— হ্যাঁ বাবা, বামাদিদিমার মতো দেখতে বটে!

বাবা বললেন— তোর মনে আছে?

—একটু-একটু মনে পড়ে বাবা।

আমরা সবাই অবাক হয়ে সেদিকে চেয়ে রইলাম। সত্যি, এই গভীর রাতে এই দুর্গম শ্বাপদসঙ্কুল শ্মশানভূমিতে কোনো বাঙালি মেয়ের আসবার কথা কেউ কল্পনা করতে পারে না। আমরা কেউ তাকে চিনিও না। কেবল চেনেন বাবা এবং সামান্য কিছু চেনে দাদা। তাদের সাক্ষ্য সেখানে সেদিন গভীর এক তত্ত্বের অবতারণা করলে— কোথায়-বা চিতা, কার-বা মৃতদেহ, মৃত্যুই-বা কার?

বৃক্ষতলে উপবিষ্ট নারীমূর্তি কিন্তু আমাদের দিকে লক্ষ করেনি। সে সম্পূর্ণ নিস্পৃহ, উদাসীনভাবে একদৃষ্টে জ্বলন্ত চিতার দিকে চেয়ে বসে ছিল। এখনও সে ছবি দেখছি চোখের সামনে। চিরকাল আঁকা থাকবে সে-ছবি আমার মনের পটে।

হুগলি জেলার এক অখ্যাত গ্রাম থেকে মৃত্যুঞ্জয়ী স্নেহের টানে আজ বিশ বছর পরে বামা ঝি চলে এল পূর্ব-আফ্রিকার নাইরোবির শ্মশানভূমিতে।

বেশিক্ষণ আমরা দেখতে পাইনি। সবসুদ্ধ বোধ হয় মিনিট পাঁচ-ছয় হবে বামা ঝি-কে আমরা দেখতে পেয়েছিলুম সবাই মিলে। তার পরেই মিলিয়ে গেল সে মূর্তি।

আমরা বেশি কিছু কথা বলিনি এর পর। দাহকার্য শেষ করতে সকাল হয়ে গেল। নদীতে স্নান করে আমরা বাড়ি ফিরে এলুম, তখন বেলা সাতটা-সাড়ে সাতটা। ওই নদীতীরেই আমার মার দশপিণ্ড দেওয়া হয় এর দশদিন পরে এবং মন্ত্র উচ্চারণ করেছিলেন রেল অফিসের অবিনাশ গাঙ্গুলি, নাইরোবির বাঙালিদের মোটামুটি বিয়ে, পৈতে, ষষ্ঠীপুজো তিনিই করতেন। তাঁর নামই ছিল আমাদের মধ্যে ‘পুরুত-কাকা’।

নদীর ওপারে শৈলশ্রেণি সন্ধ্যার অন্ধকারে ঢেকে গেল।

চৈত্র ১৩৫৬, আনন্দবাজার দোল সংখ্যা

Anuprerona
Anupreronahttps://www.anuperona.com
Read your favourite literature free forever on our blogging platform.
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here


Most Popular

Recent Comments

প্রদীপ কুমার বিশ্বাস on পরীক্ষা – হুমায়ূন আহমেদ
  • slot gacor
  • desabet
  • desabet
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desabet
  • toto togel
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs toto
  • desabet
  • desabet
  • rejekibetapk77.online -hoki
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • bandar togel
  • slot gacor
  • judi bola
  • slot gacor
  • toto slot
  • slot gacor
  • situs toto
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot88
  • slot gacor
  • slot 5k
  • slot depo 5k
  • slot gacor
  • toto slot
  • slot gacor
  • toto
  • toto togel
  • situs togel
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs togel
  • toto
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desabet
  • situs hk pools
  • slot gacor
  • hongkong pools
  • depo 5k
  • toto
  • situs toto
  • situs toto
  • situs togel
  • situs togel
  • hk pools
  • situs toto
  • situs togel
  • bandar togel
  • slot gacor
  • bandar togel
  • desabet
  • toto togel
  • toto
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • toto slot
  • situs hk pools
  • slot gacor
  • slot gacor
  • togel 4d
  • situs toto
  • slot gacor
  • toto slot
  • toto slot
  • slot gacor
  • judi bola
  • toto
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • togel 4D
  • kudamania
  • rejekibet
  • situs togel
  • slot gacor
  • toto togel
  • Slot Gacor Hari Ini
  • toto togel
  • kudamania
  • slot gacor
  • toto togel
  • slot dana
  • situs toto
  • slot gacor
  • toto togel
  • situs togel
  • slot gacor
  • situs toto
  • slot resmi
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs togel
  • situs togel
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot hoki
  • slot hoki
  • slot gacor
  • situs togel
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot hoki
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs slot
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot hoki
  • situs toto
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot88
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot hoki
  • slot hoki
  • slot gacor
  • desamania
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desabet
  • desabet
  • desabet
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desamania
  • kudahoki
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desamania
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desamania
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • togel
  • desabet
  • desabet
  • desabet
  • desabet
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desabet
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs toto
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desabet
  • slot gacor
  • situs togel
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • judi bola
  • judi bola
  • situs hk pools
  • slot gacor
  • slot gacor
  • toto togel
  • situs togel
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs toto
  • situs togel
  • toto slot
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs togel
  • situs togel
  • situs togel
  • bandar togel
  • situs togel
  • slot resmi