জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা - সত্যজিৎ রায়

জিনিয়াস (জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা-৪) – সত্যজিত রায়

সাড়ে ছটায় বেড টি না দিলে হয়তো ঘুম ভাঙতে আরও দেরি হত, কিন্তু ফেলুদাকে দেখে। মনে হল সে অনেকক্ষণ আগেই উঠেছে। জিজ্ঞেস করাতে বলল, শুধু উঠেছি নয়, এর মধ্যে একটা চক্করও মেরে…

জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা - সত্যজিৎ রায়

খুড়িমার ঘর (জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা-৩) – সত্যজিত রায়

দোতলার সিঁড়ি দিয়ে উঠে ল্যান্ডিং পেরিয়েই খুড়িমার ঘর, সেটা আগেই বলেছি। জয়ন্তবাবু সেই ঘরের চৌকাঠের হাত তিনেক এদিকে চিত হয়ে পড়ে আছেন, তাঁর মাথার পিছনের মেঝেতে খানিকটা রক্ত চুঁইয়ে পড়েছে। ডাক্তার সরকার…

জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা - সত্যজিৎ রায়

গঙ্গার ইলিশ (জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা-২) – সত্যজিত রায়

সরষেবাটা দিয়ে চমৎকার গঙ্গার ইলিশ সমেত দুপুরের খাওয়াটা হল ফাস্ট ক্লাস। জয়ন্তবাবুর সঙ্গে আলাপ হল খাবার টেবিলে। ইনি মাঝারি হাইটের চেয়েও কম, বেশ সুস্থ, সবল মানুষ। শঙ্করবাবুর পাসোনালিটি এঁর নেই, কিন্তু বেশ…

জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা - সত্যজিৎ রায়

প্ৰদোষ মিত্ৰ আছেন (জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা-১) – সত্যজিত রায়

হ্যালো–প্ৰদোষ মিত্ৰ আছেন? কথা বলছি। ধরুন–পানিহাটি থেকে কল আছে আপনার…হ্যাঁ, কথা বলুন। হ্যালো– আমার নাম শঙ্করপ্রসাদ চৌধুরী। আমি পানিহাটি থেকে বলছি। আমি অবিশ্যি আপনার অপরিচিত, কিন্তু একটা বিশেষ অনুরোধ জানাতে আপনাকে টেলিফোন…

প্রোফেসর শঙ্কু ও গোলক-রহস্য - সত্যজিৎ রায়

প্রোফেসর শঙ্কু ও গোলক-রহস্য – সত্যজিৎ রায়

৭ই এপ্রিল অবিনাশবাবু আজ সকালে এসেছিলেন। আমাকে বৈঠকখানায় খবরের কাগজ হাতে বসে থাকতে দেখে বললেন, ব্যাপার কী? শরীর খারাপ নাকি? সকালবেলা। এইভাবে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকতে দেখেছি বলে তো মনে পড়ে…

খোকন গেছে মাছ ধরতে - সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

অশ্বডিম্ব রহস্য – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

ঘোড়া ডিম পেড়েছে–মানে ঘোড়ার ডিম? খি খি করে হাসতে লাগলেন কৃতান্তবাবু। প্রাইভেট গোয়েন্দা কে, কে, হালদার। গণেশ অ্যাভিনিউতে যাঁর রীতিমতো হালদার ডিটেকটিভ এজেন্সি আছে। ভদ্রলোক বিরক্ত হয়ে বললেন, এতে হাসির কী আছে?…

বাক্স রহস্য - সত্যজিৎ রায়

অমরকুমার এখন কেঁচো (বাক্স-রহস্য-১০) – সত্যজিত রায়

অমরকুমার এখন কেঁচো! সিমলা ফেরার পথে গাড়িতেই ও সব স্বীকার করেছে। ফেলুদা অবিশ্যি ওর নিজের রিভলভারটা উদ্ধার করে নিয়েছিল, আর সেটা হাতে থাকায় প্রবীরবাবুকে দিয়ে সত্যি কথা বলতে সুবিধে হয়েছিল। ভদ্রলোকের মাথায়…

বাক্স রহস্য - সত্যজিৎ রায়

ফেরার পথে (বাক্স-রহস্য-৯) – সত্যজিৎ রায়

ফেরার পথে অল্পক্ষণের মধ্যেই আরও অন্ধকার হয়ে এল। অথচ বেলা যে খুব বেশি হয়েছে তা নয়। ঘড়িতে বলছে চারটে পাঁচিশ। তা হলে আলো এত কম কেন? গাড়ির জানালা দিয়ে মুখ বার করে…

বাক্স রহস্য - সত্যজিৎ রায়

দার্জিলিং থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা (বাক্স-রহস্য-৮) – সত্যজিৎ রায়

আমি দার্জিলিং থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখেছি, এবারে প্লেনে দিল্লি আসার সময় দিন পরিষ্কার ছিল বলে দূরে বরফে ঢাকা অন্নপূর্ণ দেখেছি, সিনেমাতে শীতের দেশের ছবিতে অনেক বরফ দেখেছি, কিন্তু সিমলাতে এসে চোখের সামনে বরফ…

বাক্স রহস্য - সত্যজিৎ রায়

রাত সাড়ে নটা (বাক্স-রহস্য-৭) – সত্যজিৎ রায়

এখন রাত সাড়ে নটা। আমরা ট্রেনে করে অন্ধকারের মধ্যে দিয়ে কালকার দিকে ছুটে চলেছি। কালকা থেকে কাল ভোরে সিমলার ট্রেন ধরব। দিল্লি থেকে খেয়ে বেরিয়েছিলাম, তাই আর ট্রেনে ডিনার নিইনি। আমাদের কামরায়…

বাক্স রহস্য - সত্যজিৎ রায়

ইন্ডিয়ান এয়ার লাইনসের ফ্লাইট (বাক্স-রহস্য-৬) – সত্যজিত রায়

ইন্ডিয়ান এয়ার লাইনসের দুশ তেষট্টি নম্বর ফ্লাইটে আমরা তিনজনে দিল্লি চলেছি— আমি, ফেলুদা আর জটায়ু। সাড়ে সাতটার সময় প্লেন দমদম ছেড়েছে। দমদমে ওয়েটিং রুমে থাকতেই ফেলুদা বাক্স বদলের ঘটনাটা মোটামুটি লালমোহনবাবুকে বলে…

বাক্স রহস্য - সত্যজিৎ রায়

দীননাথবাবুকে টেলিফোন (বাক্স-রহস্য-৫) – সত্যজিৎ রায়

কাল রাত্রে বাড়ি ফিরেই দীননাথবাবুকে ঘটনাটা টেলিফোনে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। উনি তো শুনে একেবারে থা। বললেন, এরকম একটা ব্যাপার যে ঘটতে পারে সেটা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। এক যদি হয় যে এমনি…