Friday, April 3, 2026
Homeবাণী ও কথানিরুত্তাপ শোধ - ফয়সল সৈয়দ

নিরুত্তাপ শোধ – ফয়সল সৈয়দ

সেকান্দর মির্জা ভাত খেতে খেতে স্ত্রী রোজীর দিকে তাকিয়ে বলে— বউ , শুনলাম বাবা এসেছে? রোজী নির্লিপ্ত। তরকারী পেয়ালায় চামুচ ঘুরাতে থাকে । টুনটান মৃদুশব্দ হয়।

— কেউকে দিয়ে বাজারে খবর পাঠাইলে আমি চলে আসতাম।
রোজি ভেংচি কেটে খর গলায় বলে— ভাত খাচ্ছেন। খান। বেশী বকবক করিয়েন না। বুড়ো বয়সে এসব রঙ, ঢং ভাল লাগে না। সেকান্দর এঁটো হাত পরিষ্কার করতে করতে বলে— তুমি এমনভাবে কথা বলছো কেন?

—কিভাবে কথা বলছি? কিভাবে কথা বলতাম ? আপনাকে হুজুর, হুজুর করতাম। পায়ে ধরে পড়ে থাকতাম। পুরুষ মানুষের আমি হাড়ে হাড়ে চিনি শরীরে জোস থাকলে কিচ্ছু চোখে দেখে না। রোজী হাতের চামুচ তরকারীর পেয়ালায় ছুঁড়ে মারে; রাগে , ক্ষোভে দ্রুত নিঃশ্বাস নিতে থাকে । তরকারী ঝোল মাটিতে পড়ে। ঝোলের কয়েকটি ছিটকা সেকান্দরের কাপড়েও পড়ে। হলুদ দানা মতোন দাগ পড়ে কাপড়ে। রোজী বিষধর সাপের
মতো ফোসফোস করে শ্বাস ছাড়ে।

সেকান্দর ভোম্বল হয়ে চেয়ে রইলেন। ইদানিং রোজী অস্বাভাবিক আচরণ করছে। কিছু বললে চটে যাচ্ছে। সেকান্দর মির্জার দ্বিতীয় বিবাহ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকে রোজী এ ধরনের আচরণ করছে। তিন বছরের সংসারে সেকান্দর দম্পতি নিঃসন্তান। বিত্তবৈভবের অভাব নেই তার। বিঘা-বিঘা ফসলের জমি, বাপ-দাদা রেখে যাওয়া ভিটেমাটির কোন উওরাধিকারী থাকবে না! তার মৃত্যুর পর কে দেখবে এসব সম্পদ- সম্পত্তি। ভাবতে গিয়ে কূল কিনার পায় না সেকান্দর।

রাতের খাওয়ার টেবিলে শ্বশু্র-জামাই সালাম বিনিময় ছাড়া আর কোন সৌজন্যমূলক বাক্যালাপ হয়নি। থমথমে পরিবেশে রাতের ভোজন সারে দু’জন। খাওয়ার শেষে সেকান্দর মির্জা উঠে যেতে অনুমতি চাইলে শ্বশুর ডান হাতটি একটু উপরে তোলে বলে— বাবা বস। তোমার সাথে কথা আছে। তাসলিমা বাড়ির সব গুছিয়ে শুতে যায়। শোয়ার কিছুক্ষণ পর তার নাক ডাকা শব্দ শুনতে পায় সবাই।

শ্বশুর মুখের পান চিবাতে চিবাতে সেকান্দর মির্জার দিকে তাকিয়ে বলে— বাবা , বিয়ে সাদী করা দোষের কিছু না। শুভ কাজ, উত্তম কাজ। ধর্মে পুরুষ মানুষ চারটি বিয়ে করার অনুমতি আছে। আমিও দুই বিবাহ করেছি। প্রথম পক্ষের স্ত্রী মরে যাওয়ার পর রোজীর মাকে বিয়ে করেছি। প্রথম পক্ষ (স্ত্রী) বেঁচে থাকলে দ্বিতীয় বিবাহ সিদ্ধান্ত করার আগে অনুমতি নিতে হয় প্রথম পক্ষের। নত মাথায় জড়সড়ো হয়ে বসে আছে সেকান্দর মির্জা।

—তুমি কি রোজীর অনুমতি নিয়েছো। শ্বশুর নিরহ চোখে সেকান্দর মির্জার দিকে তাকায়।
নির্লিপ্ত সেকান্দর। উত্তর দেওয়ার চিন্তা তার মাথায় নেই। শ্বশুর মুরুব্বি মানুষ, সম্মানের পাত্র, শ্রদ্ধার পাত্র। বাবার মতোন। তার সাথে যুক্তি তর্ক যেতে চায় না সেকান্দর। শ্বশুর কাশতে থাকে। কাশি বন্ধ হলে চুমুক দিয়ে পানি পান করে মেয়ে দিকে তাকিয়ে বলে— মা, তুই কি জামাইকে অনুমতি দিয়েছিস? দরজার পাশে পর্দার একটি কোণা মুখে নিয়ে এতক্ষণ কথা শুনছিল রোজী। বাবার চোখে চোখ পড়তে তার চোখ ছল ছল করে উঠে । নিঃশব্দে দ্রুত চলে তার নিজের রুমে।

সকালে শ্বশুর যাওয়ার সময় হৃদয়বিদারক এক দৃশ্যের অবতারণা হয়। বাবা মেয়েকে জড়িয়ে ধরে বাচ্চা শিশু্র মতোন কেঁদে কেঁদে বলে— চল, আমার সাথে চল। এখানে থাকলে তুই শান্তি পাবি না। রোজী বাবাকে জড়িয়ে হু হু করে কেঁদে উঠে।
— মা’রে তুই কাঁদিস না, তুই চল আমার সাথে…। তোকে রেখে যেতে আমার মন সাই দিচ্ছে না। দুরে দাঁড়িয়ে দৃশ্যটি দেখে তাসলিমা চোখ ভিজে যায়, গলা শুকিয়ে যায় কান্না। তসলিমা ভাবে । ভাইজানের জায়গায় সে থাকলে সিদ্ধান্ত পাল্টা্তো এক্ষণই; শ্বশুরের পা ধরে বলতো— বাবা আমাকে ক্ষমা করে দেন। দরকার নেই আমার বংশ রক্ষার। পরক্ষণে তার ভাবনা গিলে ফেলে। ভাইজান কঠিন হৃদয়ের মানুষ। আবেগে গা ভাসিয়ে দিলে চলে্ না তার মতোন। বংশের উত্তরাধিকারী তার চাই, চাই।

রোজী বাবার প্রস্থানের দিকে তাকিয়ে থাকে। যতক্ষণ বাবা দুরত্বে মিলিয়ে যায়নি।

একরাতে রোজী স্বপ্ন দেখে ডাকঢোল পিঠিয়ে ঘরে নতুন বউ এনেছে সেকান্দরের। উৎসবমুখর পরিবেশ চারদিকে। সবাই কানাঘুষো করছে নতুন বউ এসেছে, নতুন বউ এসেছে। নতুন বউ লম্বা ঘোমটা টেনে বসে আছে চকিতে। পাশে হাঁটু ভেঙ্গে বসে আছে সেকান্দর। আত্নীয় স্বজন ঘোমটা তোলে তোলে নতুন বউকে চিনি খাওয়াচ্ছে আর হাতে গুঁজে দিচ্ছে টাকা। ছোট, ছোট পা পেলে রোজী আসে। নতুন বউয়ের পাশে বসে। বিদখুটে একটি গন্ধ নাকে আসে। মুহুর্তে মেজাজ বিগড়ে যায়। চারদিকে তাকিয়ে তাসলিমাকে খুঁজতে থাকে। এ্মন বিদখুটে গন্ধ নিশ্চয় তাসলিমার শরীর থেকেই আসছে ।

হারামজাদি, মাগিটা আশেপাশে দাঁড়িয়ে আছে। রোজী ইতিউতি করে তাকিয়ে কোথাও দেখতে পায় না তাসলিমাকে। এদিকে পাড়া- প্রতিবেশী, আত্নীয়-স্বজন রোজীকে তাগাদা দিচ্ছে নতুন বউকে চিনি খাওয়াতে। চামুচে চিনে নিয়ে নতুন বউয়ের ঘোমটা তুলতে একদলা বমি রোজির মুখে এসে জমে। মুখ ফুলে যায়, বমি আটকে ধরতে চেষ্টা করে। পেটের ভেতরে তীব্র ব্যথা অনুভব করে সে। নাড়িভুঁড়ি বের হওয়ার উপক্রম। উগরে ফেলে নতুন বউয়ের শাড়িতে। হড়বড় করে নতুন বউ ঘোমটা ফেলে দাঁড়িয়ে যায়। সবাইর চোখ রোজীর দিকে থেকে সরে নতুন বউয়ের দিকে। লাল শাড়ী পরে দাঁড়িয়ে আছে; তাসলিমা। কুঁজো হয়ে বমি করতে থাকে রোজী। ঘেন্নায় আস্তে আস্তে পা সরিয়ে নিচ্ছে তাসলিমা—রোজীর সতীন।

স্বপ্নটি দেখার পর রোজী কয়েকদিন লজ্জায় তাসলিমার সাথে ঠিকমতো কথা বলেনি। তাসলিমা্কে দেখলে তার স্বপ্নের কথা মনে পড়ে যেতো। তখন সে লজ্জায়, আতষ্কে সিটিতে যে্তো। একদিন দুপুরে রোদে বসে তাসলিমা রোজীর চুলে বিলি কাটে। কথার ফাঁকে রোজী তসলিমা গায়ের দুর্গন্ধের প্রসঙ্গ তোলে।
—তাসলিমা তুই জানিস, তোর শরীর থেকে বিদখুটে একটি গন্ধ বের হয়।
—জানি।
—তোর নাকে বাজে। তুই টের পাস।
—না। আমার নাকে লাগে না। গাঁইগুই করে বলে— মানুষে বলে। ঘামে সারা শরীর যখন ভিজে জব জব করে। তখন দুর্গন্ধটি বেশী দেখায়। স্বামী্র ভাত খেতে পারেনি, খেদায় দিয়েছে শুধু আমার শরীর দুর্গন্ধের জন্য।
—চিকিৎসা করাসনি? ডাক্তার দেখাসনি?
—দেখাইছি বুবু। দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বলে— কত ডাক্তার দেখাইছি, কবিরাজি, হোমিওপ্যাথি বড়ি খাইছি। কিছু হয়নি। মানুষের পরামর্শে লজ্জাবতী গাছের রস শরীরে মেখেছি। গোসলের আধা ঘন্টা আগে বড় এলাচ মিহি করে বেটে চন্দনের মতো করে গায়ে মেখেছি। কোন লাভ হয়নি। আল্লাহ তা’আলা তার বান্দাদের একেকজনকে একেক কিসিমের মুসিবত দিছে।

বিয়ের দিন যত গনিয়ে আসছে তত শষ্কা, ভয় সেকান্দর মির্জার মনে দানা বাঁধতে থাকে। স্ত্রীকে ডেকে বুঝায়— বউ আমরা তো কম চেষ্টা করেনি। ডাক্তার বলেছে আমার কোন সমস্যা নেই। তোমার দিকে তাকিয়ে তিন বছর অপেক্ষা করেছি— একটি সন্তানের জন্য। তুমিও ওষুধ খেতে কম খাওনি। এলোপ্যাথিক, হোমিওপ্যাথি, মাজারে মাজারে সিন্নি দিলাম, গাছে কত রশি বেঁধেছি দু’জনে। উপায়ন্তর না দেখে আমি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রোজি এসব কথায় প্রতিত্তর করে না। এসব শুনলে তার নিজেকে আরো বেশী অপাংক্তেয় মনে হয়।

বিয়ের দিন সেকান্দর মির্জা তাসলিমাকে বলে রোজিকে চোখে চোখে রাখতে। অনাকাক্ষিত দূর্ঘটনা এড়াতে সেকান্দর মির্জার বাড়তি পদক্ষেপ নেয়। বাড়ির আশেপাশে কয়েকজনকে পাহারা বসায়। পুকুরঘাটে,বাঁশবাগানে। হয়তো দেখা যাবে— সেকান্দর নতুন বউ নিয়ে ঘরে ডুকছে। পুকুরঘাট কিংবা বাঁশবাগান থেকে চিৎকার কেউ বলছে— আল্লাহ গো এটি কি হল। ভাবী গলায় ফাঁস দিয়েছে। নতুন বউ রেখে সেকান্দর মির্জা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখবেন গাছে রো্জীর অর্ধনগ্ন ঝুলছে। লজ্জায় মাথা কাটা যাবে তখন।

গভীর রাত। হালকা বৃষ্টি পড়ছে। নতুন বউ নিয়ে ঘরে ডুকে সেকান্দর মির্জা। কানের কাছে একজন ফিসফিস করে কি যেন বলে সিটকে পড়ল দ্রুত। সেকান্দর মাথা থেকে আধাভেজা পাগড়ীটি বিছানায় রেখে ঘর থেকে বের হয়ে যায়।

সারারাত খুঁজে। বিয়ের পরের দিন খুঁজে। রোজীর বাবার বাড়ী, আত্নীয় স্বজনদের বাড়ীতে খুঁজে। বিয়ের দিন সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে বোরকা পরে রোজী ঘর থেকে বের হয়ে যায়। এরপর কেউ কোনদিন তাকে কোথাও দেখেনি। হদিস পাইনি তার আর।

কবি নজরুল ইসলাম পুরাপুরি উম্মাদ যখন। অসুস্থ কবিকে দেখা শোনা করছে খালা শাশুড়ি গিরিবালা দেবী। চারদিকে গুঞ্জন উঠে তাকে ঘিরে। নজরুলের জন্য যেখান থেকে যত টাকা আসে, সব টাকা আত্নসাৎ করছে খালা শাশুড়ি। কবি জসিম উদ্দিন অসুস্থ কবিকে দেখতে যায়। তখন গিরিবালা আক্ষেপ করে তাকে বলে—বাবা আমার আর এসব ভাল লাগে না, আমি তো মানুষ, যদি চিকিৎসা না করে সব টাকা আমার কাছে রেখে দিতাম, তবে নুরুর (নজরুল) ছেলেরা দেখতো না, তারা এসব সহ্য করতো। কবি প্রবোধ দিয়ে বলে—দূর থেকে অনেকে অনেক কথা বলে। সত্য একদিন সবাই জানবে। বিধবা গিরিবালা দেবী নিঃসন্তান ছিল। কবি নজরুলকে সন্তানের মতোন দেখতো। গিরিবালা এক প্রকার জোর করে কবিকে ঘরের ভেতরে নিয়ে যায়; যেখানে নজরুল ইসলাম থাকেন। দুর্গন্ধে দম আটকে যাওয়ার উপক্রম রুমে, চারদিকে অসুস্থ কবির মল- মূত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, তার একপাশে নির্বাক, অপরিষ্কার জামায় বসে আছে নজ্রুল। গিরিবালা বলে— এসব পরিষ্কার করে, স্নান করে, রান্না করে খেতে খেতে বেলা পাঁচটা বাজবে, রোজ তিন-চার বার পরিষ্কার করি, তবুও লোকে নিন্দা করে আমায়। কবি বলে, ভগবান সব
দেখছে, সত্য মানুষ জানবেই একদিন।

—না বাপু, এসব অপবাদ আর সহ্য হয় না। একদিন সব ছেড়ে যেদিক দু’চোখ যায়, চলে যাবো। অভিমানের ফণা তোলে খালা শাশুড়ি বলে।
একদিন খবর আসে, গিরিবালা নিঁখোজ। কবির দু’পুত্র সানি,নিনি কত জায়গায় অনুসন্ধান করেছে, কোথাও খুঁজে পায়নি তাকে। গিরিবালার মতোন রোজীর নিরুদ্দেশও রহস্যময় থেকে গেল গ্রামবাসী কাছে—মুখে মুখে।

এই দিকে বিয়ের এক বছরের মাথায় সেকান্দর মির্জা তৃতীয় বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। ডাক্তার বলেছে— তার দ্বিতীয় স্ত্রী বাঁজা পড়েছে। এখন সে যাচাই বাছাই করে তৃতীয় বিয়ে করবেন।

একই ঘটনা যাতে পূরণাবৃত্তি না ঘটে তাই তৃতীয় বিয়ে করার আগে দ্বিতীয় স্ত্রীকে একটি জমি লিখে দিয়ে বলে— দেখ অগত্যা হয়ে আমি তৃতীয় বিয়ে করছি। বিয়ে করার আর কোন খায়েশ আমার ছিল। দ্বিতীয় স্ত্রী নিজেকে অপরাধী, অপেয়া ভেবে মূর্ছা যায়। উচ্চবাচ্য করার সাহসও পায় না।

তৃতীয় বিয়ে করার ছয় মাসে মধ্যে সেকান্দর মির্জা কাক্ষিত সুসংবাদ পায়। বাবা হতে যাচ্ছে সে।

গল্পটি এখানে যবনিকা টানলে সুন্দর হতো। কিন্ত এরপর নিরেট একটি সত্য উদ্ঘাটিত হয়। যা স্বপ্নেও কেউ কোনদিন ভাবেনি। মানুষ পাপ যত গোপনে করুক শাস্তি পায় প্রকাশ্যে।

বাবা হওয়ার সংবাদ শুনে সেকান্দর মির্জা তার গর্ভবতী স্ত্রীর গলা চেপে ধরে— বল মাগি। এ সন্তান কার? তোর নাগরের সাথে শুয়েছিলি। অপরাধ, অপবাদ অস্বীকার করে স্ত্রী বলে— এসব আপনি কি বলেন? আমার পেটে আপনার সন্তান। পাক কালাম ছুঁয়ে বলতে পারবো। সেকান্দর মির্জা গুমর ফাঁস করে দ্ব্যর্থহীনকন্ঠে বলে এজোস্পার্মিয়া কারণে সে কখনো বাবা হতে পারবে না। বল— আমার খেয়ে কার সাথে ফষ্টিনষ্টি করেছিলি। এক পর্যায়ে স্ত্রী স্বীকার করে বিয়ে আগে তার একজনের সাথে সম্পর্ক ছিল। সেটি রেশ এখনো আছে। সেকান্দর মির্জা স্ত্রীর চুলের মুষ্টি ধরে বলে— ঠক, প্রতারক। তোদের মতোন ব্যভিচারিণীদের শাস্ত্রে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছে।

পরের দিন সেকান্দর মির্জাকে নারী নির্যাতন মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ এবং গ্রেফতার করে ডাক্তারকেও যিনি টাকা খেয়ে ভূয়া রিপোর্ট তৈরী করেছিলেন।

ধারণা করা হয় প্রথম স্ত্রী রোজীকে সেকান্দর গুম করে। রিমাণ্ডে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে। যদিও সেটির সত্যতা স্বীকার করেনি এখনো সে।

Anuprerona
Anupreronahttps://www.anuperona.com
Read your favourite literature free forever on our blogging platform.
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here


Most Popular

Recent Comments

প্রদীপ কুমার বিশ্বাস on পরীক্ষা – হুমায়ূন আহমেদ
  • slot gacor
  • desabet
  • desabet
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desabet
  • toto togel
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs toto
  • desabet
  • desabet
  • rejekibetapk77.online -hoki
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • bandar togel
  • slot gacor
  • judi bola
  • slot gacor
  • toto slot
  • slot gacor
  • situs toto
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot88
  • slot gacor
  • slot 5k
  • slot depo 5k
  • slot gacor
  • toto slot
  • slot gacor
  • toto
  • toto togel
  • situs togel
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs togel
  • toto
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desabet
  • situs hk pools
  • slot gacor
  • hongkong pools
  • depo 5k
  • toto
  • situs toto
  • situs toto
  • situs togel
  • situs togel
  • hk pools
  • situs toto
  • situs togel
  • bandar togel
  • slot gacor
  • bandar togel
  • desabet
  • toto togel
  • toto
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • toto slot
  • situs hk pools
  • slot gacor
  • slot gacor
  • togel 4d
  • situs toto
  • slot gacor
  • toto slot
  • toto slot
  • slot gacor
  • judi bola
  • toto
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • togel 4D
  • kudamania
  • rejekibet
  • situs togel
  • slot gacor
  • toto togel
  • Slot Gacor Hari Ini
  • toto togel
  • kudamania
  • slot gacor
  • toto togel
  • slot dana
  • situs toto
  • slot gacor
  • toto togel
  • situs togel
  • slot gacor
  • situs toto
  • slot resmi
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs togel
  • situs togel
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot hoki
  • slot hoki
  • slot gacor
  • situs togel
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot hoki
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs slot
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot hoki
  • situs toto
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot88
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot hoki
  • slot hoki
  • slot gacor
  • desamania
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desabet
  • desabet
  • desabet
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desamania
  • kudahoki
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desamania
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desamania
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • togel
  • desabet
  • desabet
  • desabet
  • desabet
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desabet
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs toto
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • desabet
  • slot gacor
  • situs togel
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • judi bola
  • judi bola
  • situs hk pools
  • slot gacor
  • slot gacor
  • toto togel
  • situs togel
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs toto
  • situs togel
  • toto slot
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • slot gacor
  • situs togel
  • situs togel
  • situs togel
  • bandar togel
  • situs togel
  • slot resmi