বিখ্যাত মনীষীদের জনপ্রিয় ১০০টি উক্তি ও বাণী

বিখ্যাত মনীষীদের বাণী ও উক্তি

মনীষীদের বা বিখ্যাত ব্যক্তিদের বিখ্যাত উক্তি গুলোই বুঝিয়ে দেয় যে তারা কতটা সাধনা এবং আত্মত্যাগ এর মাধ্যমে তাদের স্বপ্নকে অর্জন করেছেন। তাদের উক্তি বা বাণী সমূহ আপনাকে একজন আত্মবিশ্বাসী ও আপনার কাজের প্রতি আরো অনুপ্রেরণা দিতে সহায়তা করে থাকে।

সাফল্য নিয়ে সেরা উক্তি সমূহ আমরা খুঁজে নিয়েছি পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ও ক্ষেত্রের বিখ্যাত মনীষীদের জীবনের সেরা সব উক্তি নিয়ে। এই লেখায় বিভিন্ন সফল ব্যক্তিদের ও মনীষীর সাফল্য নিয়ে করা মোট ১০০টি বাণী স্থান পেয়েছে, যা আপনাকে সফল হতে অনুপ্রাণিত করবে।

(১) ধনী আর গরীবের মধ্যে পার্থক্য একটাই – ধনীরা খাবার হজম করার জন্য দৌড়ায় ,আর গরীবেরা খাবার জোগাড়ের জন্য দৌড়ে।
–ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যা সাগর

(২) এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সস্তা হলো পরামর্শ …..!
একজনের কাছে চাইলে দশ জন দিয়ে দেয়।
আর পৃথিবীতে দামি জিনিস হলো সাহায্য …..!
দশজনের কাছে চাইলে – হয়তো একজনের কাছে পাওয়া যেতে পারে।
–অজানা

(৩) সমস্যার সমুদ্রে ডুবে আছো
-আতংকিত হওয়ার কিছু নেই।
ভগবানের উপর বিশ্বাস রাখো
-হয়তো তিনি তোমাকে টেনে তুলবেন
-না হয় তোমাকে সাঁতার শেখাবেন।
–শ্রীকৃষ্ণ উক্তি

(৪) একা থাকাটা কোনো দুর্বলতা নয় , একা থাকতে পারাটা একটা যোগ্যতা , সবাই একা থাকতে পারে না।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

(৫) পরিশ্রম সিঁড়ির মতো আর ভাগ্য লিফ্টের মতো। লিফ্ট যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে ,কিন্তু সিঁড়ি সব সময় উপরের দিকে নিয়ে যাবে।
–স্বামী বিবেকানন্দ

(৬) নিজের উপর বিশ্বাস রাখো, তোমার দ্বারাই সব কিছু সম্ভব। জগতে এমন কিছু নেই – যা তুমি করতে পারবে না। এই সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাও -সাফল্য তুমি এক দিন পাবেই।
–স্বামী বিবেকানন্দ

(৭) জন্ম ও মৃত্যু দুটোই আশ্চর্য রকমের। দুটো স্মৃতি একান্তই নিজের। কারণ – এ দুটো কারো সাথে শেয়ার করা যায় না।
—হুমায়ুন আহমেদ

(৮) সাফল্য জীবনে তখনই আসে- যখন একজন মানুষ- তার নিজের ক্ষমতা কোন কাজে লাগিয়ে দেয় ।
—জন উডেন

(৯) নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করো…. তারপর অন্যকে অনুশাসন করো। নিজে নিয়ন্ত্রিত হলে, অন্যকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। কিন্তু নিজেকেই নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
—গৌতম বুদ্ধ

(১০) কখনো কোনো কাজে হাল ছেড়ে দিও না এখানকার দাঁতে দাঁত দিয়ে – করা চেষ্টা গুলি – তোমাকে বিজয়ী খেতাব দেবে – সারা জীবনের জন্য।
–মাদার তেরেসা

(১১) পরের রোজগারে রাজভোগ চেয়ে – নিজের রোজগারে পোড়া রুটি খেয়ে থাকা ভালো।
–নেলসন মেন্ডেলা

(১২) তোমার বন্ধু হচ্ছে সে, যে তোমার সব খারাপ দিক জানে ,তবুও তোমাকে পছন্দ করে।
–আলবার্ট হুবার্ট

(১৩) যখন তোমার পকেট ভর্তি টাকা থাকবে,
তখন শুধু তুমি ভুলে যাবে -তুমি কে…!
কিন্তু যখন তোমার পকেট ফাঁকা থাকবে –
তখন গোটা পৃথিবী ভুলে যাবে তুমি কে…….!
–বিল গেটস

(১৪) যদি সর্বোচ্চ আসন পেতে চাও ,তাহলে নিম্ন স্থান থেকে শুরু করো।
–সাইরাস

(১৫) ভাগ্য সবার কাছে আসার জন্য অপেক্ষা করে ,উপযাচক আসে না। ভাগ্য কে ডেকে আনতে হয়।
–ইলা অলড্রিচ

(১৬) তোমার দেশ -তোমার জন্য কি করেছে ,তা জিজ্ঞাসা করো না। নিজেকে জিজ্ঞাসা করো – তুমি দেশের জন্য কি করতে পেরেছো।
–জন অফ কেনেডি

(১৭) প্রতিদিন সকালে এই পাঁচটি লাইন বলো –
আমি সেরা …….
আমি করতে পারি …….
সৃষ্টি কর্তা সব সময় আমার সঙ্গে আছে ……
আমি জয়ী ….
আজ দিনটা আমার ……
–এ পি জে আব্দুল কালাম

(১৮) বন্ধু হচ্ছে দুটি হৃদয়ের একটি অভিন্ন মন।
–সক্রেটিস

(১৯) সেই যথার্থ মানুষ – যে সময়ের সাথে জীবনের পরিবর্তন দেখেছে। এবং সময়ের পরিবর্তনের সাথে , নিজেকেও পরিবর্তিত করেছে।
–বায়রন

(২০) কান্নায় মধ্যে অনন্ত সুখ আছে ,তাইতো কাঁদতে এত ভালোবাসি।
–স্বামী বিবেকানন্দ

(২১) আমার ভাগ্যে এতটুকু দুঃখ -থাকতো না। যদি ভাগ্য লেখার দায়িত্বটা – আমার মায়ের হাতে থাকতো।
–এ পি জে আব্দুল কালাম

(২২) আমি মরে যাওয়ার পর যদি কেউ না কাঁদে , তবে আমার অস্তিত্বের কোনো মূল্যই নেই।
–সুইফট

(২৩) সময় বেশি লাগলেও ধৈর্য সহকারে কাজ করো। তাহলেই প্রতিষ্ঠা পাওয়া যাবে।
–ডব্লিউ এস ল্যান্ড

(২৪) আমরা সবাই যোগ্য ব্যক্তি খোঁজার চেষ্টা করি। কিন্তু আমরা কেউ যোগ্য হওয়ার চেষ্টা করি না।
—এ পি জে আব্দুল কালাম

(২৫) স্বপ্ন পূরণই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য নয়। তাই বলে স্বপ্নকে ত্যাগ করে নয় ,স্বপ্নকে সাথে নিয়ে চলো। স্বপ্ন ছাড়া জীবন অর্থহীন।
–ব্রায়ান ডাইসন

(২৬) যেখানে পরিশ্রম নেই ,সেখানে সাফল্যও নেই।
—উলিয়াম ল্যাংলয়েড

(২৭) সব সময় কারো দোষ খোঁজার চেষ্টা করোনা। যদি পারো – তাকে সমাধানের পথটা দেখিয়ে দিও।
–পণ্ডিত চাণক্য

(২৮) জীবনে যত আঘাত পাবে – আর তত কাছের মানুষ গুলোকে চিনতে পারবে। যে- কে তোমার কতটা আপন জন।
–সক্রেটিস

(২৯) যারা আমাকে সাহায্য করতে মানা করে দিয়ে ছিলেন – তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। কারন – তাদের মণ করার জন্যই ,আজ আমি নিজের কাজ নিজে করতে শিখেছি।
—আইনস্টাইন

(৩০) বিয়ের অর্থ হচেছ ,নিজের অধিকার অর্ধেক করে নেওয়া ও কর্তব্যকে দ্বিগুণ করা।
–শুপেনহাওয়ার

(৩১) যারা কাপুরুষ তারাই ভাগ্যের দিকে চেয়ে থাকে। পুরুষ চায় নিজের শক্তি দিয়ে -তোমার বাহু , তোমার মাথা
-তোমাকে টেনে তুলবে। তোমার কপাল নয়।
–ডাঃ লুৎফর রহমান

(৩২) কাল আমার পরীক্ষা। কিন্তু এটা আমার কাছে বিষয়ে কোনো ব্যাপারই না। কারণ – পরীক্ষা খাতার কয়েকটা পাতাই ,আমার ভবিষৎ জীবন নির্ধারণ করতে পারে না।
–টমাস আলভা এডিসন

(৩৩) তুমি যখন প্রেমে পড়বে তখন -আর তোমার ঘুমাতে ইচ্ছে করবে না। তখন তোমার বাস্তব জীবনে -স্বপ্নের চেয়ে আনন্দময় হবে।
–ডাঃ সিউস

(৩৪) একবার পরীক্ষায় কয়েকটা বিষয়ে আমি ফেল করেছিলাম। কিন্তু বাকি বন্ধু রা সবাই পাশ করে। এখন বন্ধুরা মাইক্রোসফটের ইঞ্জিনিয়ার -আর আমি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা।
–বিল গেটস

(৩৫) জীবনে যদি কিছু করে দেখতে চাও – তাহলে একলা কি ভাবে লড়তে হয় ,তা প্রথমে শিখে নাও।
–নেলসন মেন্ডেলা

(৩৬) সাফল্য পেতে হলে – শর্ত 3 টি :-
অন্যের চেয়ে বেশি জানুন…
অন্যের চেয়ে বেশি কাজ করুন…..
অন্যের চেয়ে কম আশা করুন…..
–উইলিয়াম শেকসপিয়র

(৩৭) নষ্টদের কোনো দল নেই। যারা স্বার্থে জন্য সকল পরিচয়েই পরিচিত হতে চায় ,যা তাদের স্বার্থে অনুকূলে যায়।
—নষ্ট আজাদ

(৩৮) বিশ্বাস করতে হলে এমন কাউকে বিশ্বাস করো। যার মধ্যে নীতি আছে ,যার মুখের কথা ও যার হাতের কাজ এক।
–জোডি ফ্লেন

(৩৯) অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করে না ,সকলকে নিজের মত ভাবে।
–হজরত আলী

(৪০) প্রতিদিন আমাদের এমন ভাবে কাটানো উচিত। যেন আজ আমাদের জীবনের শেষ দিন।
–সেনেকা

(৪১) ভাগ্য বলে কিছুই নাই -যা আছে তা হল কর্মের ফল। যেটা প্রতেক্যের চেষ্টা বা কর্মের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে।
–এ পি জে আব্দুল কালাম

(৪২) জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে কি পেলাম -সেটা বড় প্রশ্ন নয়। বরং আমি কি করেছি সেটাই বড় প্রশ্ন।
–কালাইল

(৪৩) বিশ্বাস করুন, আমি কবি হতে আসিনি, আমি নেতা হতে আসিনি। আমি প্রেম দিতে এসে ছিলাম, প্রেম পেতে এসে ছিলাম। সে প্রেম পেলাম না বলে, আমি প্রেমহীন নীরস পৃথিবী থেকে। নীরব অভিমানে চিরদিনের জন্য বিদায় নিলাম।
—কাজী নজরুল ইসলাম

(৪৪) জীবনে সবচেয়ে বড় জয় হলো – এমন কিছু করে দেখানো। যেটা সবাই ভেবেছিলো – তুমি তা কখনোই করতে পারবে না।
–এ পি জে আব্দুল কলম

(৪৫) অনেক কিছু ফিরে আসে বা ফিরিয়ে আনা যায়। কিন্তু সময়কে ফিরিয়ে আনা যায় না।
–আবুল ফজল

(৪৬) নিয়তি তোমাকে যা দান করে ,তার মধ্যে সব চেয়ে উত্তম দান হল -তোমার স্ত্রী।
–পোপ

(৪৭) কেউ তোমাকে মূল্য দিক আর না দিক -তুমি সৎ কাজ করে যাও। কারণ – এর প্রতিদান মানুষ হয়তো নাও দিতে পারে কিন্তু আল্লাহ দিবেন।
–হজরত আলী

(৪৮) অসহায়কে অবজ্ঞা করা উচিত নয় , কারণ – মানুষ মাত্রই জীবনের কোনো সময় -না ,কোনো সময় -অসহায়তার স্বীকার হতে হয়।
–গোল্ড স্মিথ

(৪৯) দুঃখ নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে পারে। কিন্তু আনন্দ পুরো উপভোগ করতে চাইলে , অবশ্যই তোমাকে আনন্দ কারো সাথে ভাগ করে নিতে হবে।
–মার্ক টোয়েন

(৫০) সেই মায়ের সাথে উচ্চ স্বরে কথা বলো না – যে মা তোমাকে কথা বলতে শিখিয়েছে।
—পণ্ডিত চানক্য

(৫১) একজন মানুষ অন্য একজন মানুষের নামে – তোমার কাছে কিছু বললে ,তাতে কান দিও না। সব কিছু নিজে হাতে যাচাই করে দেখো।
—হেনরি জেমস

(৫২) একজন অসৎ বন্ধুর চেয়ে -একটি বিষধর সাপ অনেক ভালো। কারণ সাপটি আপনাকে একবার দংশন করবে। আর সেই অসৎ বন্ধু আপনাকে বার বার দংশন করতে থাকবে।
–পণ্ডিত চাণক্য

(৫৩) যদি সুখী হতে চাও , তবে এমন একটি লক্ষ্য ঠিক করো ,যা তোমার বুদ্ধি ও শক্তি কে জাগ্রত করে। এবং তোমার মধ্যে আসা আশা আর অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।
–এন্ড্রু কার্নেগি

(৫৪) আমি এত দিন সময় নষ্ট করেছি, কিন্তু এখন সময় নষ্ট করছে আমায়।
–উইলিয়াম শেকসপিয়র

(৫৫) ভুল করতে সময় লাগে না ,কিন্তু ভুল শোধরাতে সময় লাগে।
–পণ্ডিত চানক্য

(৫৬) আবেগ ও বিবেক দুটি আলাদা জিনিস। আবেগ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই খারাপ করে। আর বিবেক মানুষকে ভালো মন্দ বাছাই করতে শেখায়। এটা সত্য যে আমরা সবাই আবেগের কাছে বিবেক হারাই। কিন্তু বিবেকের কাছে আবেগ হারাই না।
–রেদোয়ান মাসুদ

(৫৭) যার কথার থেকে কাজের পরিমাণ বেশি, সাফল্য তার কাছে এসে ধরা দেয়। কারণ- যে নদী যত গভীর, তার বয়ে যাওয়ার শব্দ তত কম।
–ডেল কার্নেগী

(৫৮) জ্ঞানী লোক কখনও সুখের সন্ধান করে না।
–এরিস্টটল

(৫৯) সবার সাথে যে তাল মিলিয়ে কথা বলে।
সে ব্যক্তিত্ব হীন মানুষ।
–মার্ক টোয়েইন

(৬০) সাহসী লোকেরাই কেবল বড় বড় কাজ করতে পারে -কিন্তু কাপুরুষেরা তা করতে পারে না।
–স্বামী বিবেকানন্দ

(৬১) তুমি যদি – তোমার সময়কে মূল্য না দেও ,তবে অন্যরাও তোমাকে মূল্য দেবে না। নিজের সময় ও নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগাও ,সময় নষ্ট করা বন্ধ করো। তাহলেই সফল হতে পারবে।
–কিম গ্রাস্ট

(৬২) মেয়ের পিছনে না ঘুরে -পড়াশুনার পিছনে ঘোরো। সময় হলে -শুধু মেয়েরা নয় ,মেয়ের বাবা ও মা তোমার পিছনে ঘুরবে।
–বিল গেটস

(৬৩) বিয়ে একটা জুয়া খেলা… পুরুষ বাজী রাখে স্বাধীনতা আর নারী বাজী রাখে সুখ।
— মাদ সোয়ানের

(৬৪) জীবনে এমন কিছু করো – আজকে যে তোমার ফোন রিসিভ করছেন ,সে যেন কাল তোমাকে গুগলে সার্চ করে।
–এ পি জে আব্দুল কালাম

(৬৫) অতীত বা ভবিষৎ বলে কিছুই নেই ,বর্তমান টাই সব কিছু। আমাদের কিছু বলার থাকলে ,তা এখুনি বলতে হবে, কিছু করার থাকলে -এখুনি করতে হবে। যদি ভালো বাসতে হলে -এখুনি বস্তে হবে। ভবিষৎ একটা মরীচিকা।
–এরিস্টটল

(৬৬) চালাকির দ্বারা কোন মহৎ কাজ হয় না।
—স্বামী বিবেকানন্দ

(৬৭) খাবার যতই দামি হোক ,পচে গেলে তার যেমন কোনো দাম থাকে না। তেমনি একটা মানুষ -যতই শিক্ষিত হোক না কেন। তার ভিতরে মনুষত্ব না থাকলে কোনো দাম নেই।
–পণ্ডিত চানক্য

(৬৮) জীবনে যায় হোক কখনো হাসতে ভুলে যেওনা। কারণ – হাসিটা তোমার ভিতরে শক্তি ও সাহস যোগাবে।
–এ পি জে আব্দুল কালাম

(৬৯) জীবন হলো সাইকেলে চড়ার মতো …..! জীবনে ভারসাম্য রাখতে গেলে ,অবশ্যই আপনাকে পথে চলতে হবে।
–আইনস্টাইন

(৭০) জ্ঞানের মতো পবিত্র বস্তু জগতে আর কিছুই নেই।
—গীতা

(৭১) নানা ভাবে শিক্ষা পেলেও দুর্জন ব্যক্তি -কখনো সাধু হয় না। নিমগাছ যেমন আমূল জলসিক্ত করে কিংবা দুধে ভিজিয়ে রাখলেও কখনো মধু হয় না।
–পণ্ডিত চানক্য

(৭২) দুঃখ নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে পারে। কিন্তু আনন্দের পুরোটাই উপভোগ করতে চাইলে, অবশ্যই তোমাকে- কারো সাথে ভাগ করে নিতে হবে।
–মার্ক টোয়েন

(৭৩) কাজের কারনে আমরা কখনো ক্লান্ত হয়ে পারি না। আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়ি দুশ্চিন্তা ,হতাশা ও বিরক্তির কারণে।
–এ পি জে আব্দুল কালাম

(৭৪) ছেলেদের জন্য পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান হল মেয়েদের হাসি।
—হুমায়ুন আহমেদ

(৭৫) জন্মদিনের উৎসব পালন করাটা বোকামি। কারণ – জীবন থেকে একটা বছর ঝরে গেলো ,সে জন্য অনুতাপ করা উচিত।
–নরম্যান বি হল

(৭৬) যদি তুমি কখনো অপমানিত বদক করো। তবে অন্য কাউকে সেটা বুঝতে দেবে না।
–জন বেকার

(৭৭) যে মন খুলে হাসতে পারে না ,সে এই পৃথিবীতে সবচেয়ে অসুখী।
–জন লিপি

(৭৮) সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে নিজেকে চেনা। আর সবচেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে অন্যদেরকে উপদেশ দেওয়া।
–খেলিস।

(৭৯) বিবেক পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আদালত।
–গৌতম বুদ্ধ

(৮০) অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায় ,ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।
–শেক্সপিয়ার

(৮১) টাকার বিনিময়ে শিক্ষা অর্জনের চেয়ে ,অশিক্ষিত থাকা ভালো।
–সক্রেটিস

(৮২) কথা -বার্তায় ক্রোধের পরিমাণ -খাবারের লবনের মতো হাওয়া উচিত। পরিমান মতো হলে রুচিকর ,আর অপরিমিত হলে ক্ষতিকর।
–প্লেটো

(৮৩) সততা একটি খুব মূল্যবান জিনিস ,যেটা যার তার কাছে থেকে -আশা করা যায় না।
–চাণক্য

(৮৪) মানুষ যত গোপন পাপ করুক বিনা কেন ,তার শাস্তি সে প্রকাশ্যেই পায়।
–বেল জনসন

(৮৫) জীবনে অতি সৎ হতে নেই। মনে রেখো ,জঙ্গলের মধ্যে সোজাগাছটি -সবার আগে কাটা হয়। তেমনি অতি সৎ ব্যক্তিরাই -আগে বেশি বিপদে পরে।
–চানক্য

(৮৬) পূর্ণ তৃপ্তি নিয়ে কুঁড়ে ঘরে বসবাস করে থাকাও ভালো। অতৃপ্তি নিয়ে বিরাট অট্টালিকায় বসবাস করে থাকার কোনো সার্থকতা নেই।
–উইলিয়াম হেডস

(৮৭) অনেকেই বলেন মেয়েরা ভয় পায়। কিন্তু চানক্য বলে গিয়েছেন ,পুরুষদের থেকে নারীর সাহস ছয় গুণ বেশি।
এজন্য নারীকে শক্তি রূপে পূজা করা হয়।
–চানক্য

(৮৮) যে তোমার সামনে ভুল ধরিয়ে দেয় ,সেই তোমার প্রকৃত বন্ধু। আর যে তোমার সামনে প্রশংসা করে সেই শত্রূ।
–হযরত ওমর

(৮৯) পাশে দাঁড়িয়ে ভরসা দেওয়ার লোক নেই। সামনে দাঁড়িয়ে পথ দেখানোর লোক নেই। কিন্তু পিছনে দাঁড়িয়ে সমালোচনা ,করার লোক অনেক থাকে।
–এ পি জে আব্দুল কালাম

(৯০) দুঃখ -কষ্ট নিয়েই মানুষের জীবন , কিন্তু দুঃখের পরে সুখ আসবে ,এটাই ধ্রব সত্য।
–এডওয়ার্ড ইয়ং

(৯১) মরিলে যদি রণজয় হইতো ,তবে মরিতাম। বৃথা মৃত্যু বীরের ধর্ম নহে।
–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

(৯২) পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে ,আকাশ যতটা কাছে মনে হয়। আকাশ ততটা কাছে নয়। ঠিক তেমনি ,কোনো মানুষকে -যতটা আপন মনে হয়। আসলে ঠিক ততটা আপন নয়।
–অজানা

(৯৩) দুর্ভাগ্য বান তারাই যাদের প্রকৃত বন্ধু নেই।
–অ্যারিস্টটল

(৯৪) সত্যিকারের যোগ‍্যতা নদীর মতো, এটি যত গভীর তত শব্দ কম করে।
–জর্জ সাবিল

(৯৫) কখনো কাউকে অযোগ্য বলে অবহেলা করো না। ভেবে দেখো তুমিও কারো কাছে হয়তো অযোগ্য । কেউ কারো যোগ্য নয়, যোগ্য বিবেচনা করে নিতে হয় ।
–হুমায়ুন আহমেদ

(৯৬) আগুন দিয়ে যেমন লোহা চেনা যায় , তেমনি মেধা দিয়ে মানুষ চেনা যায়।
–জন এ শেড

(৯৭) প্রেমের আনন্দ থেকে স্বল্পক্ষণ ,কিন্তু বেদনা থাকে সারা জীবন।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

(৯৮) পরের উপকার করা ভালো ,কিন্তু নিজেকে পথে বসিয়ে নয়।
–এডওয়ার্ড ইয়ং

(৯৯) আনন্দকে ভাগ করলে দুটি জিনিস পাওয়া যায় – একটি হচ্ছে জ্ঞান এবং অন্যটি হচ্ছে প্রেম।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

(১০০) অসত‍্যে পথে সফল হওয়ার চেয়ে, সত‍্যে পথে ব‍্যর্থ হওয়া ভালো ।
–মেলভি

বিখ্যাত মনীষীদের ১০০ টি বাণী-ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন।

আপনার প্রিয়জনকে জানার সুযোগ করে দিন।

You May Also Like