খোকন গেছে মাছ ধরতে - সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

ঠাকুরদার সিন্দুক রহস্য – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

সময়টা ছিল নভেম্বরের গোড়ার দিকে এক রবিবারের সকালবেলা। ইলিয়ট রোড এলাকায় কর্নেলের তিনতলার অ্যাপার্টমেন্টে তার জাদুঘরসদৃশ ড্রয়িংরুমে আড্ডা দিচ্ছিলুম। কর্নেল গভীর মনোযোগে টাইপরাইটারে কীসব টাইপ করছিলেন। মাঝে-মাঝে তিনি পোস্টকার্ড সাইজ কীসের রঙিন…

ধূমগড়ের পিশাচ রহস্য - সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

ধূমগড়ের পিশাচ রহস্য – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

প্রাইভেট ডিটেকটিভ কে কে হালদার খবরের কাগজ পড়ছিলেন। হাতে নস্যির কৌটো। হঠাৎ বলে উঠলেন, –অ্যাঃ! পিচাশ! হাসি চেপে বললাম, –কথাটা পিশাচ হালদারমশাই! উত্তেজিত হলেই ঢ্যাঙা গড়নের এই গোয়েন্দা ভদ্রলোক আরও ঢ্যাঙা হয়ে…

খোকন গেছে মাছ ধরতে - সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

ভীমগড়ের কালো দৈত্য – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

সরকারি ডাকবাংলো থেকে বিকেলে বেরুনোর সময় চৌকিদার সুখলাল হিন্দি-বাংলা মিশিয়ে যা বলেছিল, তার সারমর্ম ছিল এরকম : পশ্চিমের সবচেয়ে উঁচু আর ন্যাড়া পাহাড়ের ওধারে বাস করে এক ‘কালা দেও’, অর্থাৎ কিনা কালো…

খোকন গেছে মাছ ধরতে - সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

অশ্বডিম্ব রহস্য – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

ঘোড়া ডিম পেড়েছে–মানে ঘোড়ার ডিম? খি খি করে হাসতে লাগলেন কৃতান্তবাবু। প্রাইভেট গোয়েন্দা কে, কে, হালদার। গণেশ অ্যাভিনিউতে যাঁর রীতিমতো হালদার ডিটেকটিভ এজেন্সি আছে। ভদ্রলোক বিরক্ত হয়ে বললেন, এতে হাসির কী আছে?…