বুরুনের কাজকর্ম – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

বুরুনের কাজকর্ম - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

বুরুনের আজকাল কাজকর্ম বড্ড বেড়েছে। সকালে উঠে ঘর ঝটাতে হয়, ন্যাতা দিয়ে মেঝে মুছতে হয়, নিজের পড়ার টেবিল নিজেকে গোছাতে হয়, কুয়ো থেকে স্নানের জল তুলে নিতে হয়, খাওয়ার পর নিজের বাসন মেজে নিতে হয়, সপ্তাহে দু’দিন নিজের জামাকাপড়, বিছানার চাঁদর আর বালিশের ওয়ার কাঁচতে হয়, নিজের জুতো পালিশ করে নিতে হয়, মশারি টাঙাতে হয়। হাজারো কাজ। ভেলু ডাক্তারের হুকুমে তার কাজে সাহায্য করা সবাই বন্ধ করে দিয়েছে। অপমান আরো আছে। অঙ্কে ফেল করায় তার বিছানায় আর তোশক পাতা হয় না। চৌকির ওপর শতরঞ্চি আর চাঁদর পেতে শোওয়া। পায়ে জুতো পরে বটে, কিন্তু মোজা বারণ, রঙচঙে জামাকাপড় পরা বারণ।

প্রথম প্রথম বুরুনের এতে খুব কষ্ট হত। অভিমানে চোখে জলও এসে যেত। রাতে একা শুয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদত।

কিন্তু আজকাল তার কষ্ট আর নেই। ঘুম থেকে খুব ভোর রাতেই উঠে পড়ে সে। নিধিরামই ডেকে দেয়। উঠে দেখতে পায়, নিধিরাম ঘরদোর সাফ করে পড়ার টেবিল গুছিয়ে রেখেছে। স্নানের সময় যখন বুরুন জল তোলে, তখন আসলে তাকে ভারী বালতি টেনে তুলতে হয় না, দড়িটা ধরে দাঁড়িয়ে থাকে, বালতি আপনা থেকে উঠে আসে ওপরে। বাসন মাজতেও তার কোনো কষ্ট নেই, কুয়োপাড়ে গিয়ে এঁটো বাসন রাখতে না রাখতেই মাজা-ধোয়া হয়ে যায়। মশারি আপনা থেকেই টাঙানো, গোঁজা হয়ে যায়। রাতে শক্ত চৌকিতে শুতে কষ্ট হয় বলে তারও ব্যবস্থা হয়েছে। খুব নরম একটা তোশক কোত্থেকে বিছানায় চালান হয়ে যায় রাতে, আবার সকাল হতেই সেটা লোপাট।

পড়াশুনোর কষ্টও খুব বেশি নেই আজকাল। পড়ে হবে কী? ক্লাসে যত শক্ত প্রশ্নই তাকে করা হোক না কেন, নিধিরাম ঠিক কানে কানে উত্তর বলে দেয়।

বুরুন আজকাল ভারি আয়েসের জীবন কাটাচ্ছে।

তবে কিনা নিধিরাম যে এত খাতির করছে, তারও কারণ আছে।

প্রায় দিনই রাত্রিবেলা নিধিরাম এসে বিছানার ধার ঘেঁষে মেঝেয় বসে ঘ্যানঘ্যান করে বলে, “বুঝলে বুরুন, তুমি দেখছি মহা চালিয়াত ছেলে, কথা দিয়ে কথা রাখো না।”

বুরুন ঘুম-চোখে হাই তুলে বলে, “এখন ঘুমোব, তুমি কেটে পড়ো তো!”

“আহা, ঘুমোবে তো ঠিকই। কিন্তু আমার যে ঘুম কেড়ে নিয়েছ। জানো তো, সেই যে গোঁসাইবাগানে আমাকে হেনস্থা করেছিলে, তারপর থেকে আর ভূতের সমাজে আমার মুখ দেখানোর জো নেই। স্বয়ং গোঁসাইবাবা আমাকে সাফ বলে দিয়েছে, যদি বুরুন কোনোদিন তোকে একটু ভয় খায়, তবেই

আবার সমাজে তোর জল চলবে। নইলে খড়ম পেটা করে। মামদোদের রাজ্যে তাড়িয়ে দিয়ে আসব।”

“তা আমি করব কী?” নিধিরাম অভিমানভরে বলে, “তোমার জন্য কত কী করছি, ৬২

আর তুমি এটুকু আমার জন্য করতে পারবে না?”

“আমার যে তোমাকে ভয় লাগে না, নিধিদা!”

“চেষ্টা তো করতে পারো।”

“দূর! তোমাকে ভয় খাওয়ার কথা ভাবলেই হাসি পায় যে!”

নিধিরাম আঁশটে মুখ করে চলে যায়। তবে দিনরাত ঘ্যানঘ্যান করতেও সে ছাড়ে না।

দাদু আজকাল কথাবার্তা খুব বলেন না, দিনরাত তাঁর গাছ-গাছড়া নিয়ে নানা ভাবনা-চিন্তা। নানারকম নতুন নতুন অরিষ্ট, পাঁচন, চূর্ণ তৈরি করছেন। দিনরাত বনে-জঙ্গলে ঘুরে মূল, ছাল, পাতা সংগ্রহ করছেন। হিরে, মুক্তো, সোনা পুড়িয়ে ভস্ম তৈরি করছেন। মৃগনাভির সন্ধানে হন্যে হয়ে ঘুরছেন, এসব বাতিক তাঁর বরাবরই ছিল। কিন্তু ইদানীং যেন বড় বেশি চিন্তিত দেখাছে তাঁকে।

রবিবার দাদু বুরুনকে ডেকে বললেন, “তোমার তো সব দিক দিয়েই প্রবল উন্নতি হচ্ছে দাদা! লক্ষ করছি, আমি না ডাকতেই তুমি ব্রাহ্মমুহূর্তে উঠে পড়ো, নিখুঁতভাবে সব কাজ করছ ঘড়ির কাঁটা ধরে।”

বুরুন লাজুক ভাব করে মাথা নুইয়ে রইল।

দাদু কাছে টেনে এক হাতে বুকে চেপে ধরে, অন্য হাতে মাথায় বিলি কেটে বললেন, “খুব ভাল, খুব ভাল।”

দাদু অনেকক্ষণ তাকে এইভাবে বুকের কাছে ধরে থেকে খুব আস্তে করে বললেন, “দেখ দাদু, বুড়ো হয়েছি, কবে মরেটরে যাই। তাই ভাবছি, আমার যা-কিছু বিদ্যে, সব এখন থেকেই তোমাকে কিছু কিছু শেখাই।”

এমনিতে দাদুর সঙ্গে বুরুনের সম্পর্ক খুবই ভাল, কিন্তু তা বলে দাদু কখনো এরকমভাবে বুরুনকে আদর করেন না। তাই দাদুর

মধ্যে একটা কেমন অসহায় ভাব টের পেয়ে বুরুন অবাক। তার দাদু রাম কবিরাজ কখনো কাউকে ভয় খান না, কারো পরোয়াও করেন না। কিন্তু এখন যেন বুরুন টের পাচ্ছিল যে, দাদু ঠিক আগেকার দাদু আর নেই।

বুরুন নিজে ভারি দুষ্টু ছেলে ছিল বরাবর। অঙ্কে ফেল করার পর থেকেই সে কেমন একটু মুষড়ে পড়েছে। তাই কারো মন খারাপ থাকলে সে টপ করে সেটা টের পেয়ে যায়। তার নিজের যেমন পরিবর্তন হয়েছে, তার দাদুরও তেমনি একটা কিছু পরিবর্তন হয়েছে।

বুরুন বলল, দাদু, তোমার কি মনটা খারাপ? আমাকে বলল, আমি সব ঠিক করে দেব।”

রাম কবিরাজ খুব চিন্তিত মুখ করে বুরুনের দিকে চেয়ে থাকেন একটু। তারপর মাথা নেড়ে বলেন, “বিপদ বলে বিপদ! কিন্তু আমার নিজের জন্য তো ভাবি না দাদা। বুড়ো হয়েছি, কাজেই মরতে ভয় পাই না! তবে কিনা একটু দুষ্টু লোক এসে সারা শহরটাকেই নষ্ট করে দেবে!”

“দুষ্টু লোক! সে কে?” বুরুন অবাক হয়ে বলে।

“আছে একজন।”

“সে এসে কী করবে?”

“কী করবে তার কি কিছু ঠিক আছে দাদা! তাই আমি ভাবছি, সময় থাকতেই তোমাকে খানিকটা বিদ্যা শিখিয়ে যাই। আর এ বিদ্যা শুধু শিখলেই হবে না, আবিষ্কারকও হতে হয়, উদ্ভাবকও হতে হয়। আয়ুর্বেদে যা আছে, তার বাইরেও আমি অনেক ওষুধ তৈরি করেছি। এ তো গেল একটা দিক। আবার ভাল চিকিৎসক হতে গেলে শুধু রোগ আর ওষুধ চিনলেই হবে না, পয়সার ধান্দা থাকলেও হবে না। রুগি তোমার কথামতো ওষুধ খায় কিনা দেখতে হবে, পথ্য দেখতে হবে, রুগিকে আপনজনের মতো ভালবাসতে হবে। ভালবাসাই চিকিৎসার মূল কথা। স্নেহ, মমতা, দরদ না থাকলে ভাল চিকিৎসা হয় না। আরো আছে, কোন লক্ষণ দেখে কোন রুগিকে কী ওষুধ দিলে, আর তার ফলাফল কী হল, এসব লিখে রাখতে হয় আলাদা খাতায়। মাঝে-মাঝে খাতাখানা খুলে দেখতে হয়। তাতে কিছু ভুল হয় না। অতীতে যদি কোনো ভুল চিকিৎসা করে থাকে, তবে তা শুধরে নিতে পারবে, আর ভুল করবে না। আমার এরকম কুড়ি-একুশখানা খাতা আছে, সেগুলো ছেপে বই বার করলে মানুষের উপকার হবে। কিন্তু আমার আয়ুতে বোধহয় আর অত কাজ কুলোবে না। সেই খাতাগুলো তোমাকে সব দিয়ে যাব।”

বুরুনের মন খারাপ হয়ে যাচ্ছিল। দাদু এমনভাবে কথা বলছেন, যেন তাঁর আর বেশিদিন নয়।

একটু বেলায় দাদু চাকর সঙ্গে নিয়ে গোঁসাইবাগানের দিকে গাছপালার সন্ধানে গেলেন। বুরুন সেই ফাঁকে দাদুর ঘরে গিয়ে ঢুকল।

বুরুনের মন খারাপ থাকলেই সে গিয়ে দাদুর ঘর থেকে চুরি করে চ্যবনপ্রাশ খায়। দাদুর চ্যবনপ্রাশ একদম আচারের মতো খেতে।

ঘরের মধ্যে কবিরাজী ওষুধের একটা সুন্দর মিষ্টি গন্ধ। এই ঝাঁঝালো সুন্দর গন্ধটা বুরুনের দারুণ ভাল লাগে। আর এই জন্যই তার মাঝে-মাঝে কবিরাজ হতে ইচ্ছে করে।

চ্যবনপ্রাশের বয়াম থেকে এক কোষ তুলে চাটতে চাটতে বুরুন গিয়ে দাদুর আরাম-কেদারায় বসে। আরাম-কেদারায় দাদুর মাথার তিল তেলের গন্ধ লেগে আছে। বেশ লাগে।

হঠাৎ একটু হাওয়া ছাড়ল। ঘরের মধ্যে দাদুর টেবিলের কিছু কাগজপত্র এদিক-ওদিক উড়ে গেল। আর একটা ছোট্ট কাগজ উড়ে এসে পড়ল বুরুনের কোলে।

অন্যমনস্ক বুরুন কাগজটা খুলে দেখে লাল কালিতে লেখা একটা চিঠি। চিঠির ভাষা এরকম : প্রণামান্তে নিবেদনমেতৎ যে মহাশয়, আমাদের পরম পূজনীয় সদার হাবু মহারাজকে জব্দ করিবার নিমিত্ত আপনি যে সব দুষ্কার্য ও ষড়যন্ত্র করিয়াছিলেন, তাহা আমরা বিস্মৃত হই নাই। হাবু মহারাজ শীঘ্রই সরকারের হেফাজত হইতে খালাস পাইবেন। আমরা মা কালীর নামে প্রতিজ্ঞা করিয়াছি, হাবু মহারাজের অপমানের প্রতিশোধ লইব। আপনার অন্তিম সময় আগত জানিবেন। শীঘ্রই সাক্ষাৎ হইবে বলিয়া দিন গুনিতেছি। নিবেদন ইতি–আপনার দাসানুদাস হাবু মহারাজের অনুচরবৃন্দ।

চিঠিটা পড়ে বুরুন অবাক। এত বিনয় আর নম্রতার সঙ্গে কেউ কাউকে শাসায় নাকি? তার ভারি হাসি পাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ দাদুর সব হাবভাব আর কথাবাতা মনে পড়ে যাওয়ায় সে বুঝতে পারল চিঠিটা মজার নয়। এলেবেলে চিঠি হলে দাদু অত অন্যরকম হয়ে যেতেন না।

চ্যবনপ্রাশটা খুব তাড়াতাড়ি শেষ করে বুরুন নিজের ঘরে আসে। দরজা বন্ধ করে দিয়ে সে গম্ভীর গলায় ডাকে, “নিধিরাম! ও নিধিদা!”

নিধিরাম কাছে-পিঠে না থাকলেও ক্ষতি নেই। চারদিকে বাতাসে, আনাচে-কানাচে নিধিরামের অসংখ্য চর ঘুরে বেড়ায়। তাদের মধ্যে অনেক নতুন ভূত, আনাড়ি ভূত, ভিতু ভূত, গাড়োল ভূত, পাগল ভূত, সাধু আর চোর ভূত আছে। কিন্তু সকলকেই নিধিরামের বলা আছে যে, বুরুন তাকে ডাকলে তক্ষুনি যেন খবর দেওয়া হয়।

আজও একটা লিকলিকে রোগা ভূত মোটা ডিকশনারির পাতার মধ্যে ঢুকে চ্যাপটা হয়ে ঘুমোচ্ছিল। বুরুনের ডাক শুনে তোক করে যখন বেরিয়ে এল, তখনো তার শরীরটা কাগজের মতো চ্যাপটা হয়ে আছে। ঘুম-চোখে তাড়াতাড়ি একটা নমস্কার করে বলল, “আজ্ঞে উনি একটু মড়া আহার করতে মনসাগুড়ি গেছেন। সেখানে মড়ক লেগেছে কিনা।”

“মড়া আহার করতে? এ-” ঘেন্নায় বুরুন ঠোঁট বাঁকায়।

রোগা ভূত একগাল হেসে বলে, “যখন ভূত হবেন, তখন আর আপনি অমন কথা বলবেন না। সে এমন ভাল খেতে যে, পোলাও কালিয়া কোথায় লাগে!”

বুরুন বিরক্ত হয়ে বলে, “তাকে এক্ষুনি ডাকো। বলো, বিশেষ দরকার।”

লিকলিকে ভূতটা ‘যাচ্ছি’ বলে এক লম্ফে আকাশ পার হয়ে গেল। একটু বাদেই নিধিরাম খড়কে দিয়ে দাঁত খুঁটতে খুটতে। হাজির।

“ডাকলে কেন?”

বুরুন বলল, “আঁচিয়ে এসেছ?”

“ভূতের আবার আঁচানো!”

“যাও, আঁচিয়ে এসো! স্বাস্থ্যবিধি মানো না, সদাচার নেই–তোমার কেমন মানুষ বলো তো নিধিদা?”

লজ্জা পেয়ে নিধিরাম আঁচিয়ে আসে। বুরুন জিগ্যেস করে, “হাবু মহারাজ বলে কাউকে চেনেন?”

নিধিরাম চমকে উঠে বলে, “ও বাবা! চিনব না? সে আমাদের কম জ্বালিয়েছে নাকি?”

“কী রকম?”

“ওঃ সে আর বোলো না। হাবু গুণ্ডা ভূতের মন্ত্র জানত। তাই দিয়ে আমাদের বশ করে করে খুব খাটাত। সর্ষে আর ঝাটা দিয়ে পেটাতও খুব। কেন বলো তো, তার কথা জিগ্যেস করছ?”

“সে যদি আবার এখানে আসে, তবে কী হবে?”

“আসবে? ও বাবা, তবে গেছি।”

“তোমরা ওকে খুব ভয় খাও নাকি?”

“তাকে সবাই ভয় খায়। আমাদের যে কী নাকাল করত একসময়ে।”

বুরুন গম্ভীর হয়ে বলে, “আমি একটা কথা স্পষ্ট জানতে চাই। হাবু এখানে এলে তুমি তাকে বেশি খাতির করবে, না আমাকে?”

নিধিরামও গম্ভীর হয়ে বলে, “দেখ বুরুন, তুমি বাচ্চা ছেলে বলে নিতান্ত মায়ায় পড়ে তোমার কাজকর্ম করে দিই। খাতিরও দেখাই। কিন্তু হাবুর হল অন্য কথা। তাকে আমরা কেউ ভালবাসি না বটে, দু’চক্ষে দেখতেও পারি না, কিন্তু তার হল মন্ত্রের জোর। মন্ত্রের কাছে তো আর চালাকি চলে না। সে ঘাড় ধরে আমাদের দিয়ে চাকরবাকরের কাজ করিয়ে নেবে। তাই সে যদি আসে, তবে সাফ বলে দিচ্ছি যে, আমাদের আর তোমার পক্ষ নেওয়া সম্ভব হবে না।”

“বটে?”

“হ্যাঁ। কী করব বলো, আমরা মন্ত্রের বশ।”

বুরুন খুব চিন্তিত হয়ে চুপ করে থাকল। তারপর বলল, “তখন ডাকলেও আসবে না?”

নিধিরাম মাথা নেড়ে বলে, “আসব না বলছি না। তবে সে সময়ে যদি হাবু কোনো কাজে লাগিয়ে দেয়, তবে আসা সম্ভব নয়। আগে হাবুর কাজ তারপর অন্য কথা।”

“হাবু যদি তোমাকে হুকুম করে–যাও গিয়ে বুরুনের মাথাটা ছিঁড়ে আনন, তাহলে আমার মাথা সত্যিই ছিঁড়ে নেবে?”

নিধিরাম যদিও ভূত, তবু এখন তারও কপালে ঘাম দেখা দিল। অস্বস্তির সঙ্গে বলল, “ওসব অলুক্ষণে কথা থাক। বলতে

নেই।”

“যদি হাবু অমন কথা বলেই তবে কী করবে?” নিধিরাম একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে, “তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি বুরুন, কী আর বলব! তবে হাবুর যদি হুকুম হয়, তবে নিজের মাথা ছিঁড়তেও আমরা বাধ্য।”

গল্পের পরের অংশ নীচের ট্যাব থেকে পড়ুন …

You May Also Like